শিক্ষকদের প্রশিক্ষণে ছাড়ের মেয়াদ ২ বছর বাড়াল কেন্দ্র:
শিক্ষকদের প্রশিক্ষণে ছাড়ের সময়সীমা আরও দু’বছর বাড়িয়েছে কেন্দ্র। ২০১৯ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত বেড়েছে সময়সীমা। ফলে আপাতত খুশি রাজ্য। প্রশিক্ষণহীন হিসাবে প্রাথমিকে ৩০ হাজারের বেশি সংখ্যক সদ্য চাকরি পাওয়া শিক্ষকদের পক্ষে এটা স্বস্তির খবর। একই সঙ্গে লাখ খানেক প্যারাটিচার, এসএসকে-এমএসকে শিক্ষাসহায়করাও অনেকটাই হাঁপ ছেড়ে বাঁচবেন। দীর্ঘদিনের টালবাহানা সত্ত্বেও তাঁদের প্রশিক্ষণ এখনও শুরু করতে পারেনি শিক্ষাদপ্তর। তাঁরা ভয় পাচ্ছিলেন, তাঁদের চাকরি নিয়ে না টানাটানি শুরু হয়। কিন্তু আপাতত সেই সম্ভাবনা থাকছে না।
প্যারাটিচার বা এসএসকে-এমএসকে সহায়কদের প্রশিক্ষণ দেওয়া নিয়ে সর্বশিক্ষা মিশন, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ এবং শিক্ষাদপ্তরের মধ্যে বিস্তর ফাইল চালাচালি হয়। কিছুতেই তা শুরু করা যায়নি। প্রথম দিকে আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রিতার কারণে দেরি হয়। পরের দিকে অন্য সমস্যা দেখা দেয়। উত্তরবঙ্গে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণকেন্দ্রের অভাবে প্রক্রিয়া কীভাবে এগবে, তা ঠিক করতে পারছিলেন না আধিকারিকরা। বহু প্রার্থীকে অন্য জেলায় নিয়ে গিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যাপারে অসন্তোষ এবং বাস্তব সমস্যা দেখা যেতে পারে বলে মনে করছিলেন তাঁরা। পরে শিক্ষামন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকেই পুরোপুরি দায়িত্ব নিতে বলেন। পর্ষদ থেকে জানা গিয়েছে, দ্রুত প্রশিক্ষণ শুরু হবে। মূলত জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারের প্রার্থীদের মালদহে নিয়ে এসে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রতিবন্ধী, অসুস্থ বা মহিলাদের একাংশকে যতটা সম্ভব নিজের জেলায় প্রশিক্ষণ নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। তবে যেভাবেই হোক, দু’বছরে তা শেষ হয়ে যাবে বলে পর্ষদ আধিকারিকদের দাবি।
ছাড়ের সময়সীমা বাড়ায় যে সুবিধা হবে, তা স্বীকার করেছেন পর্ষদ সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যও। তিনি অবশ্য বলেন, ছাড় মানে এমনও নয় যে প্রশিক্ষণ ছাড়াই চাকরি পাওয়া যাবে। সেই রাস্তা কিন্তু বন্ধই। তবে কর্মরত প্রশিক্ষণহীনদের জন্য এটা সুখবর। পর্ষদের আধিকারিকরা অবশ্য বলছেন, তাঁদের দায়িত্ব অনেকটাই বেড়ে গেল। প্যারাটিচার, শিক্ষা সহায়কদের পাশাপাশি নতুন স্থায়ী চাকরি যাঁরা পেয়েছেন, দু’বছরের মধ্যে তাঁদের প্রশিক্ষণ শেষ করাতে হবে। অবশ্য এমনিতেই শর্ত ছিল, প্রশিক্ষণহীনদের দু’বছরের মধ্যে প্রশিক্ষিত করে তুলতে হবে। সেটা আরও আবশ্যিকভাবে করতে হচ্ছে।
তবে যে শিক্ষার অধিকার আইন ২০১০ সাল থেকে কার্যকর হয়েছে, তাতে উল্লিখিত শর্ত পালনের জন্য প্রায় ১০ বছর সময় দেওয়া হচ্ছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, সেক্ষেত্রে পাশ-ফেল প্রথা ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ কেন্দ্র কেন নিচ্ছে না? শুধু রাজ্যগুলির কোর্টে বল ঠেলে কেনই বা হাত গুটিয়ে বসে রয়েছে? এর জন্য যে আইন পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে, তা তো কেন্দ্রকেই করতে হবে।
শিক্ষকদের প্রশিক্ষণে ছাড়ের সময়সীমা আরও দু’বছর বাড়িয়েছে কেন্দ্র। ২০১৯ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত বেড়েছে সময়সীমা। ফলে আপাতত খুশি রাজ্য। প্রশিক্ষণহীন হিসাবে প্রাথমিকে ৩০ হাজারের বেশি সংখ্যক সদ্য চাকরি পাওয়া শিক্ষকদের পক্ষে এটা স্বস্তির খবর। একই সঙ্গে লাখ খানেক প্যারাটিচার, এসএসকে-এমএসকে শিক্ষাসহায়করাও অনেকটাই হাঁপ ছেড়ে বাঁচবেন। দীর্ঘদিনের টালবাহানা সত্ত্বেও তাঁদের প্রশিক্ষণ এখনও শুরু করতে পারেনি শিক্ষাদপ্তর। তাঁরা ভয় পাচ্ছিলেন, তাঁদের চাকরি নিয়ে না টানাটানি শুরু হয়। কিন্তু আপাতত সেই সম্ভাবনা থাকছে না।
প্যারাটিচার বা এসএসকে-এমএসকে সহায়কদের প্রশিক্ষণ দেওয়া নিয়ে সর্বশিক্ষা মিশন, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ এবং শিক্ষাদপ্তরের মধ্যে বিস্তর ফাইল চালাচালি হয়। কিছুতেই তা শুরু করা যায়নি। প্রথম দিকে আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রিতার কারণে দেরি হয়। পরের দিকে অন্য সমস্যা দেখা দেয়। উত্তরবঙ্গে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণকেন্দ্রের অভাবে প্রক্রিয়া কীভাবে এগবে, তা ঠিক করতে পারছিলেন না আধিকারিকরা। বহু প্রার্থীকে অন্য জেলায় নিয়ে গিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যাপারে অসন্তোষ এবং বাস্তব সমস্যা দেখা যেতে পারে বলে মনে করছিলেন তাঁরা। পরে শিক্ষামন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকেই পুরোপুরি দায়িত্ব নিতে বলেন। পর্ষদ থেকে জানা গিয়েছে, দ্রুত প্রশিক্ষণ শুরু হবে। মূলত জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারের প্রার্থীদের মালদহে নিয়ে এসে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রতিবন্ধী, অসুস্থ বা মহিলাদের একাংশকে যতটা সম্ভব নিজের জেলায় প্রশিক্ষণ নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। তবে যেভাবেই হোক, দু’বছরে তা শেষ হয়ে যাবে বলে পর্ষদ আধিকারিকদের দাবি।
ছাড়ের সময়সীমা বাড়ায় যে সুবিধা হবে, তা স্বীকার করেছেন পর্ষদ সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যও। তিনি অবশ্য বলেন, ছাড় মানে এমনও নয় যে প্রশিক্ষণ ছাড়াই চাকরি পাওয়া যাবে। সেই রাস্তা কিন্তু বন্ধই। তবে কর্মরত প্রশিক্ষণহীনদের জন্য এটা সুখবর। পর্ষদের আধিকারিকরা অবশ্য বলছেন, তাঁদের দায়িত্ব অনেকটাই বেড়ে গেল। প্যারাটিচার, শিক্ষা সহায়কদের পাশাপাশি নতুন স্থায়ী চাকরি যাঁরা পেয়েছেন, দু’বছরের মধ্যে তাঁদের প্রশিক্ষণ শেষ করাতে হবে। অবশ্য এমনিতেই শর্ত ছিল, প্রশিক্ষণহীনদের দু’বছরের মধ্যে প্রশিক্ষিত করে তুলতে হবে। সেটা আরও আবশ্যিকভাবে করতে হচ্ছে।
তবে যে শিক্ষার অধিকার আইন ২০১০ সাল থেকে কার্যকর হয়েছে, তাতে উল্লিখিত শর্ত পালনের জন্য প্রায় ১০ বছর সময় দেওয়া হচ্ছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, সেক্ষেত্রে পাশ-ফেল প্রথা ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ কেন্দ্র কেন নিচ্ছে না? শুধু রাজ্যগুলির কোর্টে বল ঠেলে কেনই বা হাত গুটিয়ে বসে রয়েছে? এর জন্য যে আইন পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে, তা তো কেন্দ্রকেই করতে হবে।

Comments
Post a Comment